ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঢাকা প্রতিদিনের ডিক্লারেশন বাতিল প্রত্যাহারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ  শুল্ক কর্মকর্তা ড. তাজুল ইসলাম-এর দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় জাতীয় দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন-এর ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) বাতিল সংবাদপত্রের জন্য অশনি সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এ মন্তব্য করেন তারা। 
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তারা বলেন, ঠুনকো একটি অজুহাতে ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছায় ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল ৭ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে সাংবাদিক সমাজ।
মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা আরো বলেন, ড. তাজুল ইসলাম একজন সরকারি কর্মকর্তা, দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হলেন কীভাবে? তা অবিলম্বে দুদক ও এনবিআরকে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানান। একই সঙ্গে সরকারি ওই কর্মকর্তার কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে ঢাকা প্রতিদিনের সম্পাদককে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করাও সংবাদ মাধ্যমের জন্য হুমকি বলে কঠোর নিন্দা জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
এ অবস্থায় ড. তাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্রটির লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন নেতারা। নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সংবাদ মাধ্যমের ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সম্পাদক শাহনাজ শারমিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক শাহনেওয়াজ দুলাল, মাহমুদুর রহমান খোকন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আবু সাঈদ, সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ইসলাম, দৈনিক যুৃগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মোজাম্মেল হক, মিরপুর সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এসএম জহিরুল ইসলাম, ঢাকা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মনজুরুল বারী নয়ন, ঢাকা প্রতিদিন-এর সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা লাবনী প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঢাকা প্রতিদিনের ডিক্লারেশন বাতিল প্রত্যাহারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

আপডেট সময় : ০১:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২
নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ  শুল্ক কর্মকর্তা ড. তাজুল ইসলাম-এর দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় জাতীয় দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন-এর ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) বাতিল সংবাদপত্রের জন্য অশনি সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এ মন্তব্য করেন তারা। 
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তারা বলেন, ঠুনকো একটি অজুহাতে ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছায় ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল ৭ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে সাংবাদিক সমাজ।
মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা আরো বলেন, ড. তাজুল ইসলাম একজন সরকারি কর্মকর্তা, দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হলেন কীভাবে? তা অবিলম্বে দুদক ও এনবিআরকে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানান। একই সঙ্গে সরকারি ওই কর্মকর্তার কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে ঢাকা প্রতিদিনের সম্পাদককে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করাও সংবাদ মাধ্যমের জন্য হুমকি বলে কঠোর নিন্দা জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
এ অবস্থায় ড. তাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্রটির লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন নেতারা। নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সংবাদ মাধ্যমের ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সম্পাদক শাহনাজ শারমিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক শাহনেওয়াজ দুলাল, মাহমুদুর রহমান খোকন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আবু সাঈদ, সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ইসলাম, দৈনিক যুৃগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মোজাম্মেল হক, মিরপুর সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এসএম জহিরুল ইসলাম, ঢাকা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মনজুরুল বারী নয়ন, ঢাকা প্রতিদিন-এর সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা লাবনী প্রমুখ।