ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাঘায় পাচারের সময় ৭০ বস্তা সার আটক

অমি আহমেদ
  • আপডেট সময় : ১০:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাঘা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘায় সার বহনকারি ট্রলিসহ চালক সেকেন্দার রহমানকে (৩৫) ৫০ কেজি ওজনের ৩৫ বস্তা ইউরিয়া (নাইট্রোজেন) ৩৫ বস্তা ডিএপি (ড্রাই এমোনিয়াম ফসফেট) সারসহ আটকের পর বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা যারিন তাসনিম নীলয় বাদি হয়ে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার লুৎফর রহমান ও ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমানকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমানকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডিলার লুৎফর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানা যায়, ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমান উপজেলার বাঘা পৌরসভার ছাতারী গ্রামের মৃত সিফার মন্ডলের ছেলে। সে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার লুৎফর রহমানের গোডাউন থেকে সারগুলো তার ট্রলিতে বোঝাই করে লালপুরের নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাঘা-লালপুর সীমান্ত এলাকা থেকে লালপুর থানা পুলিশ সারসহ ট্রলি চালককে গ্রেপ্তার করে।

বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, পুলিশের সহযোগিতায় সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। পরে ডিলার ও ট্রলি চালকের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সার ডিলার লুৎফর রহমানের গোডাউনে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় তার ছোট ভাই গোলাম হোসেনের সাথে কথা বললে জানান, শুনেছি সার বোঝাই ট্রলিটি বাঘা তেল পাম্পের সামনে নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেকেন্দার রহমানের ট্রলিতে সার তুলে নিয়ে যাচ্ছিল।

তার দাবি,জব্দ করা সারগুলো তার ভাইয়ের গোডউন থেকে নেওয়া হয়নি। কোথায় থেকে নেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিনি বলেন, সেটা আমার জানা নেই। প্রতিহিংসামূলক আমার ভাইকে ফাঁসানোর জন্য নাম বলতে পারে । অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীর বাঘায় পাচারের সময় ৭০ বস্তা সার আটক

আপডেট সময় : ১০:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাঘা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘায় সার বহনকারি ট্রলিসহ চালক সেকেন্দার রহমানকে (৩৫) ৫০ কেজি ওজনের ৩৫ বস্তা ইউরিয়া (নাইট্রোজেন) ৩৫ বস্তা ডিএপি (ড্রাই এমোনিয়াম ফসফেট) সারসহ আটকের পর বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা যারিন তাসনিম নীলয় বাদি হয়ে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার লুৎফর রহমান ও ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমানকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমানকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডিলার লুৎফর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানা যায়, ট্রলি চালক সেকেন্দার রহমান উপজেলার বাঘা পৌরসভার ছাতারী গ্রামের মৃত সিফার মন্ডলের ছেলে। সে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার লুৎফর রহমানের গোডাউন থেকে সারগুলো তার ট্রলিতে বোঝাই করে লালপুরের নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাঘা-লালপুর সীমান্ত এলাকা থেকে লালপুর থানা পুলিশ সারসহ ট্রলি চালককে গ্রেপ্তার করে।

বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, পুলিশের সহযোগিতায় সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। পরে ডিলার ও ট্রলি চালকের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সার ডিলার লুৎফর রহমানের গোডাউনে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় তার ছোট ভাই গোলাম হোসেনের সাথে কথা বললে জানান, শুনেছি সার বোঝাই ট্রলিটি বাঘা তেল পাম্পের সামনে নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেকেন্দার রহমানের ট্রলিতে সার তুলে নিয়ে যাচ্ছিল।

তার দাবি,জব্দ করা সারগুলো তার ভাইয়ের গোডউন থেকে নেওয়া হয়নি। কোথায় থেকে নেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিনি বলেন, সেটা আমার জানা নেই। প্রতিহিংসামূলক আমার ভাইকে ফাঁসানোর জন্য নাম বলতে পারে । অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।