ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পণ্য রফতানি আগস্টে ছাড়িয়েছে লক্ষমাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ গত আগস্ট মাসে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি। এই পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালের আগস্টে ৩৩৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল।

এদিকে জুলাই ও আগস্ট মিলিয়ে গত দুমাসে তৈরি পোশাক থেকে ৭১১ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার রফতানি আয় এসেছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া এ আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, গত অর্থবছরের ১২ মাসে বাংলাদেশ থেকে পাঁচ হাজার ২০৮ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ এগিয়ে এবং আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি।

এর আগে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সর্বসাকুল্যে তিন হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের পণ্য রফতানির ওপর ভিত্তি করে পরের বছরের জন্য চার হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পণ্য রফতানি আগস্টে ছাড়িয়েছে লক্ষমাত্রা

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাংলাদেশ গত আগস্ট মাসে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি। এই পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালের আগস্টে ৩৩৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল।

এদিকে জুলাই ও আগস্ট মিলিয়ে গত দুমাসে তৈরি পোশাক থেকে ৭১১ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার রফতানি আয় এসেছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া এ আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, গত অর্থবছরের ১২ মাসে বাংলাদেশ থেকে পাঁচ হাজার ২০৮ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ এগিয়ে এবং আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি।

এর আগে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সর্বসাকুল্যে তিন হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের পণ্য রফতানির ওপর ভিত্তি করে পরের বছরের জন্য চার হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল।